Recents in Beach

header ads

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সেরা দর্শণীয় স্থানসমূহ | প্রকৃতির মজা নিতে ঘুরে আসি কক্সবাজার 2021

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা অপরূপ একটি দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে বাংলাদেশের সেরা দর্শণীয় স্থানগুলো উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলো বেশিরভাগ চট্টগ্রাম নগরীতে অবস্থিত । যার জন্য চট্টগ্রামকে পর্যটন নগরী বলা হয়। আপনি যদি ভ্রমণ পিপাসু হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে একবার হলেও চট্টগ্রাম নগরীতে আসা উচিত এবং এখানকার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা উচিত। এবার চলুন পর্যায়ক্রমে জেনে নেই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এর পর্যটন স্থানসমূহ এবং যাতায়াত ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ।

কক্সবাজার নগরীর অবস্থান

এখানে রয়েছে কক্সবাজারের মত বিশাল সমুদ্র সৈকত । যেখানে প্রত্যেক বছর লক্ষ লক্ষ পর্যটক ভিড় করে । কক্সবাজার জেলা চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। এখানে রয়েছে অসংখ্য টুরিস্ট স্পট যেখানে প্রতিবছর ট্যুরিস্টরা ভিড় করে থাকে। আমরা সবাই জানি কক্সবাজার হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত গুলোর মধ্যে অন্যতম। কক্সবাজার হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর । এখান থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার টন মৎস্য সংগ্রহ করা হয় । তাছাড়া কক্সবাজার হচ্ছে সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন।

কক্সবাজার নগরী প্রতিষ্ঠার পূর্ব ইতিহাস

পূর্বে এ কক্সবাজার আরাকান রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এক সময় সম্রাট শাহ সুজা কক্সবাজার পরিচালনা করতেন। তারই ধারাবাহিকতায় এখানে ডুলাহাজরা নগরী গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে কক্সবাজার সমুদ্র নগরী গড়ে ওঠে। এরপরে আস্তে আস্তে এই কক্সবাজার জেলা টি পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশরা শাসন করতে শুরু করে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রাম শহর থেকে অতি সন্নিকটে মাত্র 160 থেকে 170 কিমি এবং ঢাকা থেকে 400 থেকে 480 কিমি। এই সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। এখানে যোগ ব্যবস্থা বলতে একটি বিমানবন্দর রয়েছে এবং হেলিকপ্টার, বাস সার্ভিস চলাচল রয়েছে তবে ট্রেন লাইনের কাজ চলমান আছে। আশা করা যাচ্ছে 2022 সাল নাগাদ কাজ সম্পন্ন হবে।

সেরা দর্শণীয় স্থান কক্সবাজারের দর্শণীয় স্থানসমূহ

এখানে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে মাহাসিংদোগ্রী বুদ্ধমন্দির। বুদ্ধমন্দির টি উপজেলা পরিষদ থেকে মাত্র 5 কিলোমিটার দূরে রাখাইন পল্লী তো অবস্থিত। উপজেলা পরিষদ থেকে 40 টাকার বিনিময় সেখানে পৌঁছানো যায। এছাড়া এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম পাইকারি মৎস্য বাজার। পাইকারি মৎস বাজারটি বিমানবন্দরের অদূরে মেইন রোডে অবস্থিত।

উখিয়া উপজেলার বেশিরভাগ উপজাতি পাতাবাড়ি বুদ্ধ বিহারে অবস্থান করে। বিশেষ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান। এখানে হাজার হাজার বুদ্ধ ধর্মাবলম্বি আগমন করে ও তাদের ধর্ম চর্চা করে। এখানে তাদের বিভিন্ন উপাসনালয় রয়েছে।

লামার পাড়া বৌদ্ধ বিহার , শ্রীশ্রী রামকোট বৌদ্ধ বিহার, হিমছড়ি রাডার স্টেশন, মৎস্য খামার, আদিনাথ মন্দির , ইনানী সি বিচ, মাতামুহুরী নদী, রাখাইন পাড়া

বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় গাইড

ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের বাস, ট্রেন, এরোপ্লেন রয়েছে । আপনি এর যেকোনো একটা আপনার ভ্রমণের জন্য বেছে নিতে পারেন। তবে বাঁস দিয়ে যাতায়াত করাটা অনেক সুখকর হবে বলে আমার ধারণা। কারণ বাঁস দিয়ে যাতায়াতের সময় গাড়িতে বসে বাতাসের শোঁ শোঁ আওয়াজ শুনতে খুবই ভালো লাগবে। আর এ জন্য ঢাকা থেকে বিভিন্ন ধরনের বাস পাওয়া যায় । যার মধ্যে এনা পরিবহন, স্টার লাইন, হিমাচল, গ্রীন লাইন উল্লেখযোগ্য। আর যদি ট্রেন দিয়ে যান তবে সেটাও ভালো হবে। কারণ আপনি ট্রেন দিয়ে যাতায়াতের সময় বেশ কয়েকটি জেলা একসাথে দেখতে পারবেন। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের কোন ট্রেন নেই তবে আপনি চট্টগ্রাম পর্যন্ত যেতে পারবেন এবং চট্টগ্রাম থেকে বাসে যেতে হবে। এরোপ্লেন দিয়ে যাতায়াতের সময় খুবই অল্প বিশেষ করে যারা চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য করে তারা সাধারণত এরোপ্লেন দিয়ে যাতায়াত করে। বাংলাদেশের যে কয়টি প্রাইভেট এয়ারলাইন্স রয়েছে প্রায় সবগুলোই চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারে যায়। এর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, নভোএয়ার উল্লেখযোগ্য।

কক্সবাজার ভ্রমণে আপনি যা উপভোগ করবেন

বাংলাদেশের সেরা সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সী বিচ যা আপনাকে বিমোহিত করে তুলবে। কারণ এত সুন্দর সি বিচ পৃথিবীর আর কোথাও নেই যা বাংলাদেশের কক্সবাজারে রয়েছে । কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আপনি জোয়ার-ভাটা অত্যন্ত কাছ থেকে উপভোগ করতে পারবেন । তবে এ ক্ষেত্রে সতর্কতা রয়েছে আপনি যে কোন মুহূর্তে সমুদ্রের পানিতে ভিজে যেতে পারেন। বিচে গিয়ে প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারবেন । যা স্মৃতি হিসেবে আপনার স্মৃতির অ্যালবামে রেখে দিবেন। এছাড়াও রয়েছে স্পিডবোড রাইড। স্পিডবোড দিয়ে আপনি সমুদ্রের গভীরে ঘুরে আসতে পারবেন ।যার জন্য আপনাকে অল্প কিছু টাকা ব্যয় করতে হবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে আবাসিক ব্যবস্থাপনা

বাংলাদেশের বৃহত্তম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে পর্যটকদের কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের আবাসিক ও রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। এখানে রয়েছে নামিদামি বিভিন্ন ধরনের পর্যটন সেবা কেন্দ্র। বিশেষ করে পর্যটকদের সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠেছে কম দামি ও বেশি দামি বিভিন্ন রকমের হোটেল-মোটেল। সরকারি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি অনেক ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে এখানে। সর্বনিম্ন 200 টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 10 হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের হোটেল রয়েছে। হোটেলগুলো সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কারুকার্য করা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এর কাছাকাছি হোটেল গুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হল।

সমুদ্র বিলাস

ঠিকানা কলাতলী 4 700, কক্সবাজার চট্টগ্রাম ডিভিশন বাংলাদেশ মোবাইল +8801712577676

ঝাউবন রেস্তোরাঁ

ঠিকানা: H.No 0001-00, Mukti Joddha Sarani, Hotel Sayeman Rd, কক্সবাজার 4700 ঘণ্টা: খোলা ⋅ ১২:০০AM এ বন্ধ হয় ফোন নম্বর: 01818-165941

প্রাসাদ প্যারাডাইস

ঠিকানা: Hotel- Motel Zone, Plot 9 New Beach Rd, কক্সবাজার 4700 বিভাগ: প্রসাদ পরদিজ সিম্মিং পূল ফোন নম্বর: 01556-347711

নিরিবিলি অর্কিড

ঠিকানা: New Beach Rd, কক্সবাজার ঘণ্টা: শীঘ্রই বন্ধ হবে ⋅ ১১:৩০PM ⋅ বৃহস্পতি ৮:৩০AM-এ খুলবে ফোন নম্বর: 01818-785065

সীগাল হোটেল

ঠিকানা: Sea Beach, Soghundha Point, Hotel Motel Zone, কক্সবাজার 4700 ফোন নম্বর: 0341-62480 ext. 90

বিস্তারিত আরও জানতে ক্লিক করুন

আমার এই ছোট লেখা টি যদি আপনার ভাল লাগে সে ক্ষেত্রে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি। আর নতুন নতুন তথ্য পেতে আমার এই ট্রিপ কার্নিভাল ব্লগস্পট সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ আপনাকে ধৈর্য সহকারে লোকটি পড়ার জন্য।

Post a Comment

0 Comments